Dalai Lama's visit to India, has said that he would dedicate himself to work to maintain communal harmony. There are some people who love to cause trouble, she comments, "We are all human beings, it might seem to begreatly reduced." Dalai Lama's book, "My Land and My people of the Assamese translation was published on Sunday, Guwahati, Assam. The occasion was his dream. "The non-violent and peaceful desire to see the world for a long time. While the lifetime of the Earth will be released from the hands of violence or unrest. The gift will bring a new generation earth-this is my belief. " The day's guest of India mentioned that the Dalai Lama. He said that 58 years after the adoption of India's hospitality ambassador of Indian culture, I'm trying to repay the debt. "Some journalists in China because of India claims that his mother wanted to know-she said," I tell them, each and every cell in my brain Nalanda is full of education. For more than 50 years here I am eating a cake-bread. Indians are so physically and mentally I am. " Despite objections from China, the Dalai Lama on Monday began a visit to Arunachal Pradesh. Buddhism, where he will attend a religious ceremony.
Thursday, April 6, 2017
It might seem that all human beings are reduced;=DalaI lama
The
Dalai Lama's visit to India, has said that he would dedicate himself to work to maintain communal harmony. There are some people who love to cause trouble, she comments, "We are all human beings, it might seem to begreatly reduced." Dalai Lama's book, "My Land and My people of the Assamese translation was published on Sunday, Guwahati, Assam. The occasion was his dream. "The non-violent and peaceful desire to see the world for a long time. While the lifetime of the Earth will be released from the hands of violence or unrest. The gift will bring a new generation earth-this is my belief. " The day's guest of India mentioned that the Dalai Lama. He said that 58 years after the adoption of India's hospitality ambassador of Indian culture, I'm trying to repay the debt. "Some journalists in China because of India claims that his mother wanted to know-she said," I tell them, each and every cell in my brain Nalanda is full of education. For more than 50 years here I am eating a cake-bread. Indians are so physically and mentally I am. " Despite objections from China, the Dalai Lama on Monday began a visit to Arunachal Pradesh. Buddhism, where he will attend a religious ceremony.
Dalai Lama's visit to India, has said that he would dedicate himself to work to maintain communal harmony. There are some people who love to cause trouble, she comments, "We are all human beings, it might seem to begreatly reduced." Dalai Lama's book, "My Land and My people of the Assamese translation was published on Sunday, Guwahati, Assam. The occasion was his dream. "The non-violent and peaceful desire to see the world for a long time. While the lifetime of the Earth will be released from the hands of violence or unrest. The gift will bring a new generation earth-this is my belief. " The day's guest of India mentioned that the Dalai Lama. He said that 58 years after the adoption of India's hospitality ambassador of Indian culture, I'm trying to repay the debt. "Some journalists in China because of India claims that his mother wanted to know-she said," I tell them, each and every cell in my brain Nalanda is full of education. For more than 50 years here I am eating a cake-bread. Indians are so physically and mentally I am. " Despite objections from China, the Dalai Lama on Monday began a visit to Arunachal Pradesh. Buddhism, where he will attend a religious ceremony.
Saturday, April 1, 2017
Kaptai illegally arrested members of the JSS demand unconditional published.
Resource :Daily CHT
Monday, March 27, 2017
More than one guy driving a motorcycle without a maximum of three months imprisonment
If
News resource ঃDaily jugantar
Translated by :Hill voice
মোটরসাইকেলে দুইজনের বেশি ওঠলেই ৩ মাসের কারাদন্ড
মোটরসাইকেলে চালক ছাড়া একজনের বেশি সহযাত্রী নিলে সর্বোচ্চ তিন মাস কারাদণ্ড বা ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেয়া হবে।
প্রস্তাবিত 'সড়ক পরিবহন আইন ২০১৭'-এ এমন শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
নতুন আইনে মোটরসাইকেল চালানোর সময় হেলমেট ব্যবহার করার ব্যাপারেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, মোটর সাইকেলের চালক ও সহযাত্রীর হেলমেট না থাকলেও সর্বোচ্চ তিন মাস কারাদণ্ড বা ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেয়া হবে।
এছাড়া মদ পান করে বা নেশাজতীয় দ্রব্য খেয়ে যানবাহন চালালে এবং ফুটপাতের ওপর দিয়ে কোনো মোটরযান চলাচল করলেও একই শাস্তি দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
সোমবার সকাল ১০টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন আইনটির খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন করা হয়।
উচ্চ আদালতের নির্দেশে ১৯৮৩ সালের মোটরযান অধ্যাদেশকে সংশোধন করে নতুন আইনের খসড়া তৈরি করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।
তথ্যসূত্রঃদৈনিক যুগান্তরhttp://www.jugantor.com/online/national/2017/03/27/43225/%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%93%E0%A6%A0%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A7%A9-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1
আজকে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের আপডেট খবর
.
.
ঘটনা ১| প্রতিদিনের ন্যায় উক্ত কলেজের শিক্ষার্থীরা যার যার মত কলেজে গিয়েছিল। যাদের ক্লাস চলছিল তারা ক্লাসে ছিল এবং যাদের ক্লাস চলছিল না তারা কলেজ ক্যাম্পাসে আড্ডা দিচ্ছিল এবং নানা বিষয়ে আলাপ করছিল। তখন ঠিক নয়টার দিকে "জনি দে ও পলাশ বড়ুয়া (উভয়েই ইন্টার প্রথম বর্ষ,মানবিক বিভাগ)'র নেতৃত্বে চার-পাঁচজন সেটেলার বাঙ্গালি ছাত্র সন্ত্রাসীদের এজেন্ট মিলে পূর্ব ঘটনার জেরে সোনাক্ক্যি চাকমা নামের এক নিরীহ ছাত্রকে মারধর করে। এতে পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের মাঝে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে ক্যাম্পাসে তাদেরকে ধাওয়া করা হয় হয় এবং সবাই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে জনি দে নামক ছেলেটিকে ধরে সুষ্ঠ বিচারের জন্য প্রিন্সিপালের রুমে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বাঙ্গালি ছাত্ররা সন্ত্রাসী কায়দায় কেড়ে নিতে চেষ্টা করে এতে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয় এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।পরে বিষয়টি জানাজানি হলে কলেজ প্রশাসন পুলিশকে খবর দিয়ে বিষয়টি আমলে নিয়ে জনি দে এবং ভিক্টিমসহ তাদের অভিবাবকদের নিয়ে প্রিন্সিপালের রুমে বিচার কার্য চলতে থাকে। তখনও কলেজের ক্যাম্পাসে টান টান পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।
.
ঘটনা ২| এমন সময় মো:মাসুম নামের এক উগ্র বাঙ্গালি ছাত্র সন্ত্রাসীর নেতা তাঁর দলবল ও আর্মিদের এফআই নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে এবং এ অমুক,এ সমুক বলে দেখিয়ে দেয়। এতে উত্তেজনা আরো বেরে যায়। পরে মো: সেটেলার মাসুম কলেজের নোটিস বোর্ডের গেইটের বাইরের বেঞ্চে বসে থাকা পাহাড়ি শিক্ষার্থীদেরকে ক্লাসের রুমে ঢুকতে নির্দেশ দেয়,কিন্তু পাহাড়ি শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করে___আমরা ক্লাসে ঢুকি কিংবা বাইরে থাকি তাতে আপনার কি? এতে সে রাগ করে তার সন্ত্রাসী সঙ্গীদেরকে পাহাড়ি শিক্ষার্থী দেরকে গলা ধাক্কা দিয়ে রুমে ঢুকিয়ে দিতে নির্দেশ দেয় এবং দুই পাহাড়ি শিক্ষার্থীরে গলা ধাক্কা দিয়ে ভেতরে ঢুকতে বলে। তবুও পাহাড়ি শিক্ষার্থীরা জায়গা ত্যাগ না করলে মো: সেটেলার মাসুম পাহাড়ি শিক্ষার্থীদেরকে মাদারচোদের জাত,কুত্তার বাচ্চা বলে গালিয়ে দিয়ে তোদেরকে ডাইরেক কোপাবো বলে হুমকি দিয়ে তার সন্ত্রাসী দলবল দেরকে কলেজ গেইটের বাইরে থেকে সব মাল-দা-কিরিচ নিয়ে নিয়ে আসতে বললে পাহাড়ি শিক্ষার্থী রাগে ফেটে পড়ে এবং চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং মাসুম সহ তার দলের সন্ত্রাসীদেরকে উপযুক্ত জবাব দিতে প্রস্তুত হলে পুলিশ এসে মাসুমকে উদ্ধার করে পাহাড়ি ছাত্রদেরকে শান্ত থাকতে আহ্বান করে এবং উপযুক্ত বিচার করবে বলে আশ্বাস দেয়। কিন্তু মাসুম সব পাহাড়ি শিক্ষার্থীদেরকে মাদারচোদ বলে গালি দেওয়ার কারনে তখনও পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে গেলে সদর থানার ওসিসহ অতিরিক্ত পুলিশ ফোস এসে পাহাড়ি ছাত্রদের ধাওয়ার করার চেষ্টা করে,কিন্তু উৎসুক ছাত্র জনতা পিছু হাটেনি,পরে পুলিশ প্রশাসন বাধ্য হয়ে পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনায় বসার আহ্বান জানায় এবং দু'জন ছাত্র প্রতিনিধিকে অধ্যক্ষের রুমে ডেকে নিয়ে যায়।সেখানে কলেজ প্রশাসন সহ পুলিশের ওসি আলোচনায় বসে। ছাত্র প্রতিনিধির একজন মাসুমের কর্মকান্ডের সম্পর্কে বিস্তারিত খুলে বলে। সেখানে পুলিশ প্রশাসন,কলেশ প্রশাসন সহ ছাত্র প্রতিনিধিরা আলোচনায় বসে।
.
ঘটনা ৩| ঠিক সে সময় বাইরে থেকে বহিরাগত সেটেলার সন্ত্রাসী কলেজ ক্যাম্পাসে ঢুকে পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের উপর আক্রমন করলে পাহাড়ি শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধ গড়ে তুললে পরিস্থিতি চরম পর্যায়ে চলে যায় এবং প্রিন্সিপাল রুমে চলা আলোচনা শেষ না করেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ওসি,কলেজ প্রশাসন সহ ছাত্র প্রতিনিধিরা বাইরে এসে পরিস্থিত শান্ত করার চেষ্টা করলেও তখন পরিস্থিতি আসলে নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যায়। বহিরাগ বাঙ্গালিরা ক্যাম্পাসে ঢুকে এবং নিরীহ পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। কলেজ ক্যাম্পাসে চলতে থাকে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। সেসময় সেটেলার বাঙ্গালি সন্ত্রাসী ছাত্র সংগঠনের কলেজ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক পালিয়ে যাওয়ার সময় দেয়ালের সাথে ধাক্কা খেয়ে মাথা ফেটে যায়। পরে বহিরাগতরা মিলে কলেজের দক্ষিন গেইটের দিকে ঢুকে পাহাড়ি শিক্ষার্থীদেরকে ইটপাটকেল ছুড়ে মারে। কিন্তু নিরীহ পাহাড়ি শিক্ষার্থীরাও ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদেরকে ধাওয়া করে ক্যাম্পাসের বাইরে বের করে দেয়। কিছুক্ষন চলে ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। কলেজের ঘটনাটি বহিরাগত সেটেলার বাঙ্গালীরা সাম্প্রদায়িক রুপ দেওয়ার চেষ্টা করলে পুরা এলাকাজুড়ে গনজোয়াড় পড়ে যায়। পরে সেনাবাহিনীর ৭-৮ গাড়ি কলেজ ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ে কলেজ প্রশাসন,পুলিশ প্রশাসন,এডিসি ও পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের নিয়ে কলেজের মাঠে আলোচনায় বসে। এসময় সেনাবাহিনীদের হাতে লাঠি,ক্রিকেটের স্টাম্প ও তাদের বন্দুক পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের দিকে টাক করলে পাহাড়ি শিক্ষার্থীরা বলে__আমাদের কলেজে এসে সেনাবাহিনীর এহেন মারমুখী পোজ আমরা মানবোনা,শুরু হয় সেনাবাহিনী ও পুলিশের সাথে কথা কাটাকাটি। এবং উত্তেজনা আরও বেড়ে গেলে স্বয়ং আর্মির সিও কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে ছাত্র প্রতিনিধিদের নিয়ে মাঠে আলোচনায় বসে।
.
.
ঘটনা ৪| আলোচনার এক পর্যায়ে আর্মির সিও বলেন__পাহাড়ি কিংবা বাঙ্গালি সবাই বাংলাদেশের ছাত্র এদেশের নাগরিক। পরে তিনি ছাত্রদেরকে মামলার ভয় দেখিয়ে বলেন,তোমরা যদি কেউ মামলা খাও,তাহলে অনেক ক্ষতি,যেমন__লেখাপড়া-আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ। তখনও ছাত্ররা চুপ ছিল। কিন্তু সিও সাহেব একপর্যায়ে যখন বললেন___আমরা সবাই বাংলাদেশী,আমরা সবাই বাঙ্গালি। এই "আমরা সবাই বাঙ্গালি" কথাটি শুনে উপস্থিত শত শত পাহাড়ি ছাত্রজনতা উঠে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করে__আমাদের জাতীয়তা বাংলাদেশী হতে পারি কিন্তু জাতি হিসাবে বাঙ্গালী নয়। শুরু হয় উত্তেজনা। পরে তিনি চুপ হয়ে গেলেন। তবে কলেজ প্রশাসন পরিস্থিতি উপলব্দি করে ছাত্রদেরকে শান্ত থাকতে অনুরোধ করেন।
.
.
ঘটনা ৫| আলোচনার এক পর্যায়ে বহিরাগত সেটেলার বাঙ্গালিরা উপালি পাড়ার দিকে ঢুকতে চাইলে স্থানীয় উপালিপাড়া,খবংপড়িয়া ও নারাংহিয়ার ছাত্র-যুবকরা মিলে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং প্রায় ২০ মিনিট ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি হয়। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে মাঝখানে ঢুকে উভয়কে তাড়িয়ে দেয়। সেসময় পরিস্থিতি সাম্প্রদায়িকের দিকে অগ্রসর হলে আলোচনা সমাপ্ত না করেই কলেজ মাঠ থেকে পাহাড়ি শিক্ষার্থীদেরকে নিজ নিজ বাড়িতে চলে যেতে বলে এবং পুলিশ প্রশাসন ব্যাড়িকেড দিয়ে উপালি পাহাড় রোড পর্যন্ত পাহাড়ি শিক্ষার্থীদেরকে পৌঁছে দিয়ে কোন প্রকার ঝামেলায় না জড়াতে অনুরোধ করে।
.
.
ঘটনা ৬| পাহাড়ি শিক্ষার্থীরা উপালি পাড়ার রোড দিয়ে সবাই নিজ নিজ বাসায় যেতে লাগল। ঠিক তখনই উপালি পাড়ার বৌদ্ধ বিহারের কাছে পৌঁছলে সেখানে আগে থেকে ওঁৎপেতে থাকা সেনাবাহিনীর একটি টিম পাহাড়ি শিক্ষার্থী একজন আমাদের ভিডিও করছে বলে অভিযোগ করে পেছনে থাকা এক ছাত্রকে ধরে নিয়ে যেতে চেষ্টা করলে ছাত্ররা ধর ধর বলে এক চিৎকার দিয়ে সবাই সেনাবাহিনীদের সামনে এসে হাজির হয় এবং উক্ত ছাত্রকে তাদের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। এসময় সেনাবাহিনীরা আর সামনে এগোয়নি ছাত্রদের প্রতিরোধের মুখে। এর পর বিকালের দিকে সেটেলার বাঙ্গালীরা বিচ্ছিন্ন ভাবে বাড়ীতে ফেরা খাগড়াছড়ি বাস টার্মিনালে একজন ও চেঙ্গী স্কোয়াড়ে একজন ও উপজেলায় একজন সহ মোট তিনজন নিরীহ পাহাড়ি ছাত্রদেরকে মারধর করে এবং বর্তমানে তারা খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
courtesy-Shuvashish Chakma
তথ্যসূত্রঃDamrasing marma টাইমলাইন থেকে
পৃথিবীতে বৌদ্ধরাই প্রকৃত সুখী
বৌদ্ধরাই প্রকৃত সুখী
------------------------------
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া ও ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিনের দুই দল বিজ্ঞানী পৃথক পৃথক গবেষণার পর জানিয়েছেন,বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা প্রকৃত সুখী এবং তারা অন্য ধর্মালম্বীদের চেয়ে শান্ত প্রকৃতির। উভয় গ্রুপের বিজ্ঞানীরা বলেছেন,পরীক্ষায় দেখা গেছে মস্তিষ্কের যে অংশটি মানুষের মেজাজ ভাল রাখা এবং ইতিবাচক অনুভূতি সৃষ্টির জন্য দায়ী, বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের মস্তিষ্কের সেই অংশটি অধিক সক্রিয়। তবে এর কারন হিসেবে দুই দল বিজ্ঞানী পৃথক পৃথক মত প্রকাশ করেছেন। ক্যালিফোর্নিয়া মেডিকেল সেন্টারের বিজ্ঞানীরা মনে করেন,ধ্যানই বৌদ্ধদের শান্ত ও সুখী হতে সাহায্য করেছে। পক্ষান্তরে, উইসকনসিন বিশ্ব বিদ্যালয়ের গবেষকগণ অত্যাধুনিক স্ক্যানিং প্রযুক্তির সাহায্যে মানুষের মস্তিষ্কের ওপর পরীক্ষা চালানোর পর বলেছেন,ধ্যান নয় বরং বৌদ্ধদের আত্মসংযম এবং ইতিবাচক মনোভাবই তাদের সুখী ও শান্ত প্রকৃতির মানুষে পরিণত করেছে।
ধ্যান অভ্যাস করে যাঁরা কিছুটা হলেও সফলতা লাভ করেন,বৌদ্ধ হোক বা অবৌদ্ধ হোক,তাঁরা তো সুখী ও শান্ত প্রকৃতির হবেনই।ধ্যান সফলতা লাভ করতে হলে শীল বিশুদ্ধিতা অপরিহার্য অর্থাৎ কায়িক, বাচনিক ও মানসিক অকুশল কাজ হতে বিরত থাকতে হয়। তবেই তো চিত্তের কনুষ কালিমা দূরীভূত হয়ে চিত্ত কোমল,নির্মল ও প্রশান্ত হয় এবং মন ধ্যানে নিবিষ্ট হয়। এরুপ অবস্থায় মানুষ সুখী ও শান্ত প্রকৃতির হয় বৈকি। কিন্তু বৌদ্ধরাও যে ধ্যানে অভ্যাস করে তা তো নয়। বস্তুতঃ শিশুকালে থেকে অনুশীলন করা আত্মসংযম ও ইতিবাচক মনোভাবই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রকৃত সুখী ও শান্ত প্রকৃতির মানুষে পরিণত করে।
সংগ্রহেঃ হিল ভয়েস
------------------------------
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া ও ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিনের দুই দল বিজ্ঞানী পৃথক পৃথক গবেষণার পর জানিয়েছেন,বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা প্রকৃত সুখী এবং তারা অন্য ধর্মালম্বীদের চেয়ে শান্ত প্রকৃতির। উভয় গ্রুপের বিজ্ঞানীরা বলেছেন,পরীক্ষায় দেখা গেছে মস্তিষ্কের যে অংশটি মানুষের মেজাজ ভাল রাখা এবং ইতিবাচক অনুভূতি সৃষ্টির জন্য দায়ী, বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের মস্তিষ্কের সেই অংশটি অধিক সক্রিয়। তবে এর কারন হিসেবে দুই দল বিজ্ঞানী পৃথক পৃথক মত প্রকাশ করেছেন। ক্যালিফোর্নিয়া মেডিকেল সেন্টারের বিজ্ঞানীরা মনে করেন,ধ্যানই বৌদ্ধদের শান্ত ও সুখী হতে সাহায্য করেছে। পক্ষান্তরে, উইসকনসিন বিশ্ব বিদ্যালয়ের গবেষকগণ অত্যাধুনিক স্ক্যানিং প্রযুক্তির সাহায্যে মানুষের মস্তিষ্কের ওপর পরীক্ষা চালানোর পর বলেছেন,ধ্যান নয় বরং বৌদ্ধদের আত্মসংযম এবং ইতিবাচক মনোভাবই তাদের সুখী ও শান্ত প্রকৃতির মানুষে পরিণত করেছে।
ধ্যান অভ্যাস করে যাঁরা কিছুটা হলেও সফলতা লাভ করেন,বৌদ্ধ হোক বা অবৌদ্ধ হোক,তাঁরা তো সুখী ও শান্ত প্রকৃতির হবেনই।ধ্যান সফলতা লাভ করতে হলে শীল বিশুদ্ধিতা অপরিহার্য অর্থাৎ কায়িক, বাচনিক ও মানসিক অকুশল কাজ হতে বিরত থাকতে হয়। তবেই তো চিত্তের কনুষ কালিমা দূরীভূত হয়ে চিত্ত কোমল,নির্মল ও প্রশান্ত হয় এবং মন ধ্যানে নিবিষ্ট হয়। এরুপ অবস্থায় মানুষ সুখী ও শান্ত প্রকৃতির হয় বৈকি। কিন্তু বৌদ্ধরাও যে ধ্যানে অভ্যাস করে তা তো নয়। বস্তুতঃ শিশুকালে থেকে অনুশীলন করা আত্মসংযম ও ইতিবাচক মনোভাবই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রকৃত সুখী ও শান্ত প্রকৃতির মানুষে পরিণত করে।
সংগ্রহেঃ হিল ভয়েস
Sunday, March 19, 2017
স্থানীয় প্র্শাসনের সহায়তায় পাহাড়ের ভূমি বেদখল
পাহাড়ী আদিবাসী ও স্থানীয় বাঙ্গালীদের অভিযোগ- বহিরাগত মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম ভাইবোনেরা অবৈধভাবে ভূমি জবর দখল করছেন।
==================================================
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নে ২৬৮নং রেজু মৌজা কুমিরা পাড়া ও রেজু হেডম্যান পাড়ার পাহাড়ী আদিবাসী ও স্থানীয় বাঙ্গালীদের বসতভিটা বাগান ভূমি ও চাষাবাদের জমিসহ ৪টি রাবার লীজের নামে ১০০.০০ একর অবৈধ ভূমি জবর দখলে অাভিযোগ করেছে স্থানীয় অধিবাসীরা। অদ্য ১৮।০৩।২০১৭ ইং তারিখ সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে সত্যতা পাওয়া গেছে। বাতিল হয়ে যাওয়া ১৯৮১-৮২ সালে রাবার লীজ মন্ত্রি পরিষদ সচিবে প্রভাব খাটিয়ে ২০১৫ সালে অবৈধ ও গোপনীয়তা বজায় রেখে সচিবে ভাই ১। সুরুত আলম,২। ফরিদুল আলম, ৩। জুহুর আলম ও বোন ৪। রাবেয়া বেগন সর্বপিতা- মৃত সৈয়দ হোসেন মাষ্টার সর্বসাং- রুমখা পালং ইউনিয়ন, থানা উখিয়া, কক্সবাজার এর চারজনের নামে ৪টি লীজ মোট ১০০.০০ একর জায়গার জেলা প্রশাসক বান্দরবান পার্বত্য জেলা পূর্ণরায় অনুমোদন দিয়েছে। দখলে উদ্দেশ্য নিয়ে ১১।০৩।১৭ ইং তারিখ ৫০ জন ভাড়াটিয়া শ্রমিক ও সংন্ত্রাসীদের নিয়ে জঙ্গল পরিষ্কার করতে গেলে স্থানীয়দের বাধা প্রাপ্ত হয়ে পালিয়ে গিয়ে স্থানীয় ১৪জনের বিরুদ্ধে থানা ১৫০০০০ লক্ষ টাকা চাদাঁবাজী মিথ্যা বোনোয়াট অভিযোগ করেছে ভূমি দস্যু সুরুত আলম। প্রায় ২০০ পরিবার তংচংঙ্গ্যা আদিবাসী ও স্থানীয় বাঙ্গালীদের ভূমি হারানো বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ হওয়ার আশংকার কথা জানিয়েছে। স্থানীয় চেয়ারম্যানসহ এলাকার সচেতন জনগণ এহেম কার্যকলাপের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং যে কোন মূল্যে ভূমি দস্যৃদের হাত ভূমি রক্ষা প্রতিরোধ কথা জানিয়েছে এলাকাবাসী।
#Mong nu headman তথ্যসূত্রঃDamra sing marma FB Timeline.
==================================================
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নে ২৬৮নং রেজু মৌজা কুমিরা পাড়া ও রেজু হেডম্যান পাড়ার পাহাড়ী আদিবাসী ও স্থানীয় বাঙ্গালীদের বসতভিটা বাগান ভূমি ও চাষাবাদের জমিসহ ৪টি রাবার লীজের নামে ১০০.০০ একর অবৈধ ভূমি জবর দখলে অাভিযোগ করেছে স্থানীয় অধিবাসীরা। অদ্য ১৮।০৩।২০১৭ ইং তারিখ সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে সত্যতা পাওয়া গেছে। বাতিল হয়ে যাওয়া ১৯৮১-৮২ সালে রাবার লীজ মন্ত্রি পরিষদ সচিবে প্রভাব খাটিয়ে ২০১৫ সালে অবৈধ ও গোপনীয়তা বজায় রেখে সচিবে ভাই ১। সুরুত আলম,২। ফরিদুল আলম, ৩। জুহুর আলম ও বোন ৪। রাবেয়া বেগন সর্বপিতা- মৃত সৈয়দ হোসেন মাষ্টার সর্বসাং- রুমখা পালং ইউনিয়ন, থানা উখিয়া, কক্সবাজার এর চারজনের নামে ৪টি লীজ মোট ১০০.০০ একর জায়গার জেলা প্রশাসক বান্দরবান পার্বত্য জেলা পূর্ণরায় অনুমোদন দিয়েছে। দখলে উদ্দেশ্য নিয়ে ১১।০৩।১৭ ইং তারিখ ৫০ জন ভাড়াটিয়া শ্রমিক ও সংন্ত্রাসীদের নিয়ে জঙ্গল পরিষ্কার করতে গেলে স্থানীয়দের বাধা প্রাপ্ত হয়ে পালিয়ে গিয়ে স্থানীয় ১৪জনের বিরুদ্ধে থানা ১৫০০০০ লক্ষ টাকা চাদাঁবাজী মিথ্যা বোনোয়াট অভিযোগ করেছে ভূমি দস্যু সুরুত আলম। প্রায় ২০০ পরিবার তংচংঙ্গ্যা আদিবাসী ও স্থানীয় বাঙ্গালীদের ভূমি হারানো বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ হওয়ার আশংকার কথা জানিয়েছে। স্থানীয় চেয়ারম্যানসহ এলাকার সচেতন জনগণ এহেম কার্যকলাপের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং যে কোন মূল্যে ভূমি দস্যৃদের হাত ভূমি রক্ষা প্রতিরোধ কথা জানিয়েছে এলাকাবাসী।
#Mong nu headman তথ্যসূত্রঃDamra sing marma FB Timeline.




















